প্রান্তিক কৃষকের ছোট ছোট সংগ্রহে - দেশি পণ্যসমূহঃ
- শুধু খাবার নয়, একটি সুস্থ জীবনধারার প্রচেষ্টা – শহুরে জিবনে চাইলেই প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলা যায়? - কখনই না। কিন্তু শরীর কি তা বোঝে? এসব খাবারে থাকা অতিরিক্ত চিনি, ও কৃত্রিম উপাদান দীর্ঘদিন শরীরের মেটাবলিজমে চাপ সৃষ্টি করে। সেখানে আমাদের গ্রামীণ প্রাকৃতিক খাদ্যধারা তা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ভারসাম্যে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে।
- গ্রামের মাঠ পর্যায়ের একক কৃষকের নিজস্ব উৎপাদন – কোন ফার্ম কিংবা খামার নয়, আমাদের দেশি পন্যগুলো প্রান্তিক গ্রামের মাঠ পর্যায়ের একক কৃষকের নিজের হাতে সীমিত পরিসরে উৎপাদিত। বাছাইকৃত কৃষকদের সাথে সরাসরি কন্টাক করে আমাদের অভিজ্ঞ টিম পন্য কালেক্ট করে থাকে।
- অতিরিক্ত হরমোন ও অ্যান্টিবায়োটিক মুক্ত – অসাধু ফার্মে উৎপাদন বাড়াতে গ্রোথ হরমোন, অ্যান্টিবায়োটিকসহ নানারকম ইনজেকশন পুশ করা হয়; এসব কেমিক্যাল বাস্তবে দেখা যায় না, কিন্তু খাবার থেকে শরীর ঠিকই তার প্রভাব বুঝে নেয়। এক্ষেত্রে ইমিউন সিস্টেমকে সক্রিয় রাখতে গ্রামীণ খাবারের বিকল্প নেই।
- আপনার পরিবারের জন্য উত্তম আদর্শ – প্রতিদিনের খাবার কি শুধুই ক্ষুধা মেটায়? না—তা ধীরে ধীরে আমাদের পরিবার আর ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যের গল্পও লিখে দেয়। আমাদের পণ্যগুলো সেই গল্পটাকে নিরাপদ রাখে। আমাদের সন্তানের উদ্দিপ্ত ভবিষ্যৎ ও মানসিক সুস্থতায় সহায়ক।
- সর্বোৎকৃষ্ট মানের পণ্য ও সেবার নিশ্চয়তা – মানিকগ্রাম পণ্যের গুণগত মান, সংরক্ষণ পদ্ধতি ও ডেলিভারি প্রতিটি ধাপে মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করে। পন্যের সর্বচ্চ মান নিশ্চিতে সঠিক পন্য নির্বাচন থেকে শুরু করে হোম ডেলিভারি পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে কোনরূপ থার্ড পার্টি ব্যাতিত আমাদের নিজস্ব টিমই হ্যান্ডেল করে থাকে।
আধুনিক সময়ে স্বাস্থ্য নিয়ে মানুষের আগ্রহ বেড়েছে। কেমিকেল, হরমোন ও কৃত্রিম উপাদানযুক্ত খাবারের নেতিবাচক প্রভাব যেমন ক্যান্সার, অ্যালার্জি, হরমোন ভারসাম্যহীনতা ইত্যাদি নিয়ে অনেক গবেষণা হয়েছে। ফলে অনেকেই সুস্থ থাকতে কৃষকের উঠানের গ্রামীণ খাবারকে প্রতিদিনের খাবার তালিকায় যুক্ত করছেন।